1. emranhusseninbd@gmail.com : Emran Hussen : Emran Hussen
  2. info@narijagrato.com : grn :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ
"দৈনিক নারী জাগ্রত" পত্রিকাতে সারাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা সিভি পাঠিয়ে দিন ই-মেইলেঃ narijagrata@gmail.com অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন – 01998–712363 – 01799–919901
শিরোনামঃ
বড়শলা এয়ারপোর্ট গেইট সিলেট এর উদ্যোগে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত। ভালো স্বামী, ভালো বাপ হতে পারিনি, ক্ষমা করিস সরকারি কলেজ শিক্ষক সমিতি সিলেট বিভাগের আহবায়ক “মনিরুল ইসলাম” গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সিলেট মহানগরীর ৩৮নং ওয়ার্ড শাখার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন সৈয়দপুর শামছিয়া সমিতি লন্ডনেরউদ্যোগে রমজানের উপহার বিতরণ গোলাপগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অদম্যনারী গোপন ইবাদত : গুরুত্ব ও তাৎপর্য ॥ মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান ॥ দক্ষিণ সুরমা উপজেলার শ্রেষ্ঠ ৩ জন হলি আর্ট যুব উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে প্লাস্টিক

সিরাজগঞ্জে ইরি ধানের বাম্পার ফলন তীব্র তাপদাহেও কৃষকের মুখে হাসি

নারী জাগ্রত ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ২১৮ বার পঠিত
সিরাজগঞ্জে ইরি ধানের বাম্পার ফলন তীব্র তাপদাহেও কৃষকের মুখে হাসি
সিরাজগঞ্জে ইরি ধানের বাম্পার ফলন তীব্র তাপদাহেও কৃষকের মুখে হাসি

সারাদেশে তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহ চলছে, তীব্র গরমে চলনবিলের কৃষকেরা আগাম জাতের ইরি বোর ধান কাটা শুরু করেছে। ধানের বাম্পার ফলন ও বাজারে নতুন ধানের ভালো দাম যাচ্ছে।
আবহাওয়া অনুকূলে আর দাম ভালো থাকলে কৃষকরা অনেক লাভবান হবে বলে আশা করা যায়। শষ্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ ইরি বোর ধানের চাষ হয়ে থাকে,ধানের ফলনও বেশি ভালো হয়। প্রচন্ড রোদ আর গরমে অনেক আগেই ধান পাকছে।সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাঠে মাঠে অনেক আগেই ধান কাটা পুরোদমে শুরু করেছে। এখন চলছে ধান কেটে মারাই করে ঘরে তোলার ধুম।

এলাকায় অতিরিক্ত তাপদাহের কারণে ধান কাটার শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। জানা যায় এ বছরে তাড়াশ উপজেলায় ৩০ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে ইরি বোর ধান চাষা হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল ধান বীজ ও রাসায়নিক সার দেওয়া হয়েছে, এছাড়াও বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারে চাষাবাদ সহজ এবং খরচ কমছে।
এলাকার কয়েক জন কৃষক বলেন,অন্য বছরের চাইতে এই বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ধানের ফলন অনেক বেশি। প্রচন্ড রোদের কারণে শ্রমিকরা মাঠে কাজ করতে যাচ্ছে না। অধিকাংশ কৃষক হারভেষ্টারের সাহায্যে ধান কেটে ঘরে তুলছেন।ঝড় বৃষ্টির আগে পাকা ধান ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন। এ বছরে তাড়াশ উপজেলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রণোদনা দেয়াসহ সব রকম পরামর্শ ও সাহায্য করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক কোন দুর্য্যেগের কবলে না পড়লে কৃষক অনেক লাববান হবে বলে আশা করা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই জাতীয় আরও খবর